সৌরজগৎ সৃষ্টি হয় ৪৫৬ কোটি ৭০ লাখ বছর আগে। এর অনেক অনেক পরে তৈরি হয়েছে আমাদের পৃথিবীর। পৃথিবী সৃষ্টির অনেক অনেক পরে মানুষ এসেছে। মানুষ এসেই কিন্তু আমার আপনার মত কোট -টাই পরে অফিস করা শুরু করে দেয় নি কিংবা ফেসবুক ঘাঁটাঘাঁটি করার মত সুযোগ তাঁদের ছিল না। ভেবে দেখুন তো পৃথিবীর প্রথম দিককার একজন মানুষের এবং আপনার মাঝে কি কি পার্থক্য? সেই পার্থক্য গুলো নিশ্চয়ই হাঁটি হাঁটি পা পা করে আমাদের কাছে এসে ধরা দেয় নি, বরং আমরাই সেই পরিবর্তনকে নিয়ে এসেছি । “আমরা যদি না জাগি মা কেমনে সকাল হবে? তোমার ছেলে উঠলে গো মা রাত পোহাবে তবে!” ঠিক তাই। আমরা জেগেছি, পরিবর্তন এসেছে।  

মোট কথা হল আজকের এই সভ্যতা, আজকের এই সভ্য মানুষের তকমা কোটি কোটি বছরের গবেষণার ফল যা এসেছে সদা পরিবর্তন পিপাসু মানুষের হাত ধরে। মানুষ এই পরিবর্তন চেয়েছে নিজেকে আরও একটু ভালো রাখার প্রত্যয়ে।এর ফল ভোগ করছি আমরা। এর ফল ভোগ করবে আমাদের অনাগত ভবিষ্যৎ। গবেষণার জাদুকরী ছোঁয়া পরিলক্ষিত হয় সবখানে। Smart Marketer হিসেবে আপনি যদি সামনে এগিয়ে যেতে চান, ধারাবাহিক R&D (Research and Development) কেবলমাত্র জরুরীই নয় ফরজ।  আমি যদি আপনার সামনে পৃথিবীর বড় বড় কিছু কোম্পানির নাম বলতে পারি যারা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার R&D তে invest করে এবং এক পর্যায়ে সফল হয়, আমরা নিশ্চয়ই তর্ক করব না যে R&D একটা ফালতু জিনিস। Forbes Magazine এর মতে Apple, Google, 3M, General Electronics, Toyota, Microsoft, P&G, IBM, Samsung, Intel –এই কোম্পানি গুলি R&D তে প্রচুর invest করে।  

R&D আসলে কীঃ

R&D (রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্ট) বলতে বুঝায় কোন প্রোডাক্ট নিয়ে প্রথমে রিসার্চ করা এবং পড়ে সেটিকে ডেভেলপ  করা। তাই যেকোন পণ্য প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠানেই থাকতে পারে এই রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্ট বিভাগ (যেমনঃ ইলেক্ট্রনিক্স, ঔষধ, প্লাস্টিক,গার্মেন্টস ইত্যাদি)।

 

R&D এর ব্যবচ্ছেদঃ

বলুন তো Apple কোম্পানির প্রোডাক্ট কে বানায়? আমার এই বোকার মত প্রশ্ন শুনে নিশ্চয়ই মুচকি হেঁসে আপনি বলবেন Apple কোম্পানির প্রোডাক্ট Apple ই বানায়। না জনাব, Apple কোম্পানির প্রোডাক্ট বানায়  Foxcon । সব কোম্পানি তাদের সব প্রোডাক্ট তৈরি করেনা; সব কোম্পানি সব প্রোডাক্ট বানাতেও পারে না। ধরুন আপনার কাছে একটা স্যামসাং এর ফোন আছে; আপনার কী মনে হয় ওই ফোন এর সকল পার্টস স্যামসাং বানিয়েছে? এসব প্রশ্নের উত্তর ছোট দুটি Concept মাথায় রাখলেই দিতে পারবেন।

Original Equipment Manufacturing :

মনে করুন আপনাকে একটা প্রোডাক্ট বানাতে হবে। হতে পারে সেটা খুবই সিম্পল একটা জিনিস, যেমন, সাউন্ডবক্স, স্মার্টফোন, মনিটর, মাদারবোর্ড ইত্যাদি। কিন্তু হতে পারে আপনার সেই পরিমাণ ফ্যাসিলিটি নাই যে আপনি এগুলোবানাতে পারবেন। তাহলে কি করার? শুধু আইডিয়া কিংবা কনসেপ্ট নিয়ে বসে থাকলে কি প্রদীপের দৈত্য এসে আপনাকে সেই প্রোডাক্ট বানিয়ে দিয়ে যাবে? সেটা না হলেও ব্যাপারটা অন্য রকম কিন্তু হতে পারে।

আপনি সহ আপনার টীম প্রোডাক্ট এর ওপর গবেষণা করছেন, ল্যাবে ভার্চুয়ালি ডিজাইন করে সিমুলেট করছেন; অথবা ফিজিক্যালি একটি কপি আপনারা তৈরি করলেন।

তারপর সেই Prototype দিলেন OEM (Original Equipment Manufacturer) কে ; তাদের বললেন আমি এই ডিজাইন এর, এই স্পেসিফিকেশন এর প্রোডাক্ট ডিজাইন করেছি; আপনারা এটা ম্যানুফেকচার করেন  এবং বাস্তবে রূপান্তর করেন। এখানে সহজভাবে বলতে গেলে ব্যাপারটা এরকম; কাঠের চেয়ার বানাতে হবে; আপনি জানেন চেয়ারের ডিজাইন কেমন হবে; হাতল থাকবে কিনা তারপর ফার্নিচাররের দোকানে গিয়ে আপনার কনসেপ্ট তাদের জানিয়ে দিয়ে ১০ টি চেয়ারের অর্ডার দিয়ে আসলেন।

ঠিক তেমনি ভাবে product design এবং  specification সহ আপনি OEM এর কাছে যাবেন, OEM আপনার হয়ে সেই প্রোডাক্ট আলোর মুখ দেখাবে। এখানে intellectual property যারা অর্ডার দিচ্ছে বা ক্লায়েন্ট এর কাছেই থাকে।  OEM এর কাজ হল তারা শুধু সেটা বানিয়ে দেয় টাকার বিনিময়ে।

উদাহরণ হিসেবে Foxcon হল অ্যাপেল এর OEM যারা অ্যাপেল এর সব প্রোডাক্ট বানিয়ে দেয়। এখানে ডিজাইন সহ যাবতীয় সব কনসেপ্ট হল অ্যাপলের; শুধু উৎপাদন করল  Foxcon।

 Original Design Manufacturing :

এবার চলুন ODM (Original Design Manufacturer) নিয়ে কিছু কথা বলি। ধরুন আপনার প্রোডাক্ট এর জন্য আপনার আইডিয়া আছে; যে আপনার প্রোডাক্ট এ এই এই করা যাবে; কিন্তু আপনার কাছে ডিজাইন নেই। তখন আপনি একটা কোম্পানির কাছে গিয়ে আপনার আইডিয়া জানালেন; এবং তাদের বললেন ডিভাইসটা বা প্রোডাক্টটা কেমন হবে সেটা তৈরি করতে। তারপর সেই কোম্পানি বা ODM আপনাকে বলবে হ্যা আমরা এই এই ডিজাইন করেছি বা প্রোডাক্ট এই এই রকমের হতে পারে.  এভাবে তারা আপনার সামনে বিভিন্ন ধরণের Prototype বানিয়ে দেখাবে।

তারপর আপনার পছন্দ হলে আপনি অর্ডার দেবেন। আপনি যে লোগো দিবেন; যে বক্স দিবেন তার ভেতরই তারা সেই প্রোডাক্ট প্রস্তুত করে আপনাকে দিয়ে দেবে। তবে এখানে ডিজাইন নিয়ে কোনো কন্ট্রোল বা স্বত্বাধিকার থাকে না। এখানে ডিজাইন এর সব পেটেন্ট থাকে ওই ODM এর কাছে। উদাহরণ হিসেবে Quanta এর নাম নেয়া যায়; যারা Dell, HP, Lenovo এর মত বড় বড় কোম্পানির ল্যাপটপ প্রস্তুত করে দেয়।

এখন Dell তাদের Inspiron মডেল এর নতুন ল্যাপটপ বানাবে; এখানে তারা কিন্তু নিজে থেকে কোন ডিসিশন নিতে পারবে না। তাদের এজন্য Quanta এর সাথে মিটিং করতে হবে। তারপর Quanta ল্যাপটপ প্রস্তুত করে দেয়; Dell সেটা মার্কেটিং করে।

এবার চলুন Intellectual property নিয়ে কিছু কথা বলি। IP is protected in law by, for example, patents, copyright and trademarks, which enable people to earn recognition or financial benefit from what they invent or create. IP নিয়ে Apple কোম্পানি যদি মাথা না ঘামাত তবে তার অর্ধেক খাওয়া আপেল টা এতদিনে পুরোটাই কেউ খেয়ে ফেলত। IP ব্যাপারটা আসলে নির্ভর করে দুই কোম্পানির negotiation এর উপরে। হতে পারে পুরো IP আপনি শর্ত সাপেক্ষে নিজের কাছে নিয়ে নিতে পারেন।

 

এত কথা আপনার জেনে লাভ কিঃ

একই সাথে মজার এবং দুঃখজনক ব্যাপার  কি জানেন? মানুষ সব সময় Short Span এ চিন্তা করে। সহজ ভাবে বলতে গেলে নগদ লাভ চায়। Long span এ চিন্তা করে ঐ সমস্ত দূরদর্শী সফল মানুষেরা যারা আজকে গাছ লাগায় ভবিষ্যতে তার ছায়ার নিচে বসে বিশ্রাম করবে বলে। আপনি এই মুহূর্তে পৃথিবীর ১০ টা বড় কোম্পানির নামের তালিকা Google এ সার্চ দিন , বাংলাদেশ এর কোন কোম্পানির নাম আসবে না। কেন আসবে না ? কারণ আমরা নগদ খুঁজি। আমরা R&D তে Invest করতে চাই না। ক্রমশ আমদানি নির্ভর হয়ে পড়ছে বাংলাদেশ। কার্যকর তেমন পদক্ষেপ না থাকায় প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা হারাচ্ছে স্থানীয় শিল্প। রপ্তানি  আয়ের তুলনায় বাড়ছে আমদানি ব্যয়। এতে মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় তৈরি হচ্ছে ভারসাম্যহীনতা। বিশ্লেষকরা বলছেন কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে প্রয়োজন স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষা। এ ক্ষেত্রে শিল্পবান্ধব শুল্কনীতিও প্রয়োজন।

দেশের বিরাট সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছে বেসরকারি খাত। নানা রকম প্রতিকূলতার মধ্যেও উৎপাদিত হচ্ছে পন্য, সচল রয়েছে অর্থনীতির চাকা। তবে নানা জটিলতায় সংঙ্কটের মুখে এখন দেশীয় উদ্যোগ। আমদানিকৃত পণ্যের অবাধ সুবিধা দেওয়ায় বাধাগ্রস্থ হচ্ছে দেশীয় শিল্পের বিকাশ। বলা যায় পণ্যের বাজার এখন আমদানি নির্ভর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সদ্য সমাপ্ত অর্থ বছরে নিষ্পত্তি হয় ৪ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ঋনপত্র।

বাংলাদেশ পণ্য রফতানি করে যে পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে ,পণ্য আমদানির জন্য ব্যয় করতে হয় তার চেয়ে বেশি অর্থ। ফলে দেশীয় বাজার দখল করে নিচ্ছে ভিন দেশীয় পণ্য। মার খাচ্ছে স্থানীয় উদ্যোক্তরা।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

Better late than never:

বিশাল এক স্বপ্নযাত্রা শুরু হয় ছোট এক পদক্ষেপে। পাই ল্যাবস বাংলাদেশ লিমিটেড সেই গর্বিত পদক্ষেপের নাম। আমরা বাংলাদেশে প্রযুক্তি নির্ভর গবেষণা করি। প্রযুক্তিগত উন্নয়ন আমরা ঘটাতে চাই। আমাদের অনেক পণ্য আছে বাজারে। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে পাই ল্যাবস ইলেক্ট্রনিক্স হার্ডওয়্যার নিয়ে R&D করে ।বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম), ডিজিটাল কার পার্কিং সিস্টেম, ডিজিটাল বিল বোর্ড, ডিজিটাল ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার (ডিভিএস), ভেহিক্যাল ট্রাকিং সিস্টেম (ভিটিএস), সোলার ইকুইপমেন্ট, দেশের প্রথম সায়েন্স কিট অন্যরকম বিজ্ঞানবাক্সসহ অনেক পণ্যের  প্রসার আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে আরও উৎসাহ দেয়। এছাড়াও আমরা মিলেমিশে কাজ করি অনেক প্রতিষ্ঠানের সাথে। পাই ল্যাবস বিশ্বাস করে হার্ডওয়্যার-সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানগুলোর  মেলবন্ধন উভয় পক্ষের ব্যবসা ও সম্পর্ককে আরো সম্প্রসারণ করতে সাহায্য করবে এবং প্রযুক্তি বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থানকে করবে আরো শক্তিশালী।

অন্য কোম্পানির খোলা চোখে দেখা স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে পাই ল্যাবসঃ এই রকম উদাহরণ আছে ভূরি ভূরি। হাতে হাত রেখে আমরা কাজ করেছি Bangladesh Election Comission, Bangladesh Army, Prothom Alo, Rokomari.com, Berger Bangladesh Ltd., Mutual Trust Bank Ltd., Suvastu Development Ltd., Super Star Group, Central Procurement Technical Unit (CPTU) সহ অনেক সরকারী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে। আমাদের প্রিয় ক্লায়েন্টদের বিশাল সেই লিস্ট দেখে হয়ত কেউ বিরক্ত হবে। কিন্তু আমরা উল্টো তৃপ্তির হাসি দেই কেননা দেশের কিছু টাকা বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির নামে হারিয়ে যেতে দেই নি বলে। এইতো আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনের কিছু প্রয়াস।

চলুন একটা দেশের গল্প শুনিঃ

বিশাল সম্ভবনাময় দেশের ছোট্ট দুইটা কোম্পানির নাম পাই ল্যাবস বাংলাদেশ লিমিটেড এবং অন্যরকম ইলেক্ট্রনিক্স লিমিটেড। অন্যরকম ইলেক্ট্রনিক্স গতানুগতিক ধারায় পা বাড়ায় নি। কোম্পানিটা চাইলে পারত বিদেশ থেকে কাঁচামাল import করে এদেশে assemble করতে। তা না করে সে এক গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান (পাই ল্যাবস বাংলাদেশ লিমিটেড) এর কাছে নিজেদের Product Concept তুলে ধরেছে। পাই ল্যাবস তার হয়ে সেই Concept কে আলোর মুখ দেখিয়েছে। অন্যরকম বিজ্ঞানবাক্স, ভিটিএস (Vehicle Tracking System), LED বাল্ব, Solar Adaptor, Digital Voltage Stabilizer সহ অনেক জননন্দিত  প্রোডাক্ট আছে সেই আলোর মুখ দেখা দলে। চলুন  ব্যাপারটাকে  একটু খোলা চোখে দেখি। শুরুতে অন্যরকম ইলেক্ট্রনিক্স ছোট পরিসরে ব্যবসা শুরু করেছিল। তার পক্ষে কঠিন ছিল নিজের বিশাল  R&D Department রাখা। এতে তার Product Cost বেড়ে যেত। Total Variable Cost এর সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে যেত Production Cost  যা নতুন একটা কোম্পানির জন্য চ্যালেঞ্জ।

পাই ল্যাবসের আছে বহু বছরের অভিজ্ঞতা, একদল দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার। সদ্য Industry তে পা রাখা অন্যরকম ইলেক্ট্রনিক্স তাই সহয়তার জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়েছে পাই ল্যাবসের দিকে। বলুন তো পাই ল্যাবসের তাতে লাভ কি ? ঠিক ধরেছেন, Royalty. সবচেয়ে ভরসার কথা কি জানেন ? পাই ল্যাবস কিছু শর্ত সাপেক্ষে আপনাকে Intellectual Property দিয়ে দিবে।

আপনার সাথে পাই ল্যাবসের যোগ সূত্রঃ

ধরুন আপনি একটা  ফ্যাক্টরি  কিংবা সফটওয়্যার কোম্পানির মালিক। আপনার যে কোনও ধরণের হার্ডওয়্যার সংক্রান্ত জটিলতায় আপনি বিদেশে পাড়ি জমান। সেই সমাধান আপনি হয়ত পাবেন, কিন্তু তার জন্য আপনার চড়া দাম দিতে হবে। After Sale service আপনি তেমনি ভাবে পাবেন না। আবার দেশের একটা বিশাল টাকা বিদেশে চলে যাচ্ছে। এই রকম আপনাকে আমি আরও ১০ টা সমস্যার কথা বলতে পারি। এই সব সমস্যার এক সমাধান নিয়ে হাজির হয়েছে পাই লাবস বাংলাদেশ লিমিটেড। আমরা এক ঝাঁক তরুণ মেধাবীদের মেধা পাচারের নামে বিদেশে হারিয়ে যেতে দেই নি। আমরা দেশের টাকা দেশে রাখতে উদগ্রীব। আমরা দিন শেষে আপনার সন্তুষ্টির হাসি দেখার জন্য নিরলস কাজ করি। চলুন না মিলেমিশে কাজ করে বিপ্লব ঘটাই। মিলে মিশে দেশ টাকে নিয়ে যাই অনেক দূর।